শেষ পর্যন্ত দুঃসংবাদটাই পেলেন নিখোঁজ নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির স্বজনরা। ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া দ্বিতীয় মরদেহটি যে বৃষ্টির, তা শুক্রবার ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ চ্যাড ক্রনিস্টার বলেন, ‘তদন্তের বিবরণ লোমহর্ষক। অপরাধীর কর্মকাণ্ড নিখাত শয়তানি ছাড়া কিছুই নয়। তবে দুঃখের ব্যাপার হলো আমরা দুই মেধাবী শিক্ষার্থী হারালাম।’
এরপরই ফ্লোরিডা পুলিশ ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে থাকা বৃষ্টির ভাইকে ফোন করে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। এর আগে উদ্ধার হওয়া এ মরদেহের পরনের পোশাকের সঙ্গে নিখোঁজের দিন সিসিটিভি ফুটেজে থাকা বৃষ্টির পোশাকের মিল পান তদন্তকারীরা।
আরও পড়ুন
হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ চ্যাড ক্রনিস্টার বলেন, ‘মামলা তদন্তাধীন আছে। এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে সবকিছু দেখে যা মনে হচ্ছে তাদেরকে অ্যাভালন হাইটসের অ্যাপার্টমেন্টে কাছাকাছি দূরত্বে ও প্রায় একই সময়ে হত্যা করা হয়েছে।’
মেধাবী এ শিক্ষার্থীর মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর টাম্পায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। পরিবারের পক্ষ থেকে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর দাবি জানানোর পর যৌথভাবে সব আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্নের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিয়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেট। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তজা জানান, বৃষ্টির মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়েছে।
এদিকে নিহত অপর শিক্ষার্থী লিমনের মরদেহ ফ্লোরিডার ফিউনারেল হোম থেকে শনিবার রাতে অরল্যান্ডো বিমানবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওয়ানা হবে। সোমবার (৪ মে) সকালে মরদেহ ঢাকায় পৌছানোর কথা রয়েছে।
নৃশংস জোড়া হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত লিমনের রুমমেট হিশাম বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন প্রবাসীরা।





