প্রায় ৫৮ দিন বন্ধ থাকার পর ইরানি কর্তৃপক্ষ এই গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরটি চালুর ঘোষণা দেয়। দীর্ঘ সময় ফ্লাইট চলাচল স্থগিত থাকায় কয়েক হাজার যাত্রী আটকা পড়েছিলেন, যা ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম ব্যাঘাত ঘটায় এবং অনেক পরিবারকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছিল।
আরও পড়ুন:
গত ২৫ এপ্রিল থেকে সীমিত পরিসরে আকাশপথের যোগাযোগ পুনরায় শুরু হয়। বর্তমানে আটটি দেশি এয়ারলাইনস মদিনা, ইস্তাম্বুল, মাস্কাটসহ চীন ও রাশিয়ার ১৫টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। তবে বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় বর্তমান ফ্লাইটের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য।





