১. পানির পরীক্ষা (Water Float Test)
এটি ডিমের সতেজতা (Egg Freshness) যাচাই করার সবচাইতে জনপ্রিয় এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। একটি পাত্রে জল নিয়ে তাতে ডিমটি ডুবিয়ে দিন। যদি ডিমটি পাত্রের নিচে শুয়ে থাকে, তবে সেটি একদম টাটকা। যদি ডিমটি খাড়া হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, তবে সেটি একটু পুরোনো কিন্তু খাওয়ার যোগ্য। আর যদি ডিমটি পানির উপরে ভেসে থাকে, তবে নিশ্চিতভাবে সেটি পচা। ডিম যত পুরোনো হয়, তার ভেতরের বায়ুস্তর (Air Cell) তত বড় হয়, যার ফলে সেটি পানিতে ভাসে।
আরও পড়ুন:
২. ঝাঁকিয়ে দেখা (The Shake Test)
ডিমটি আপনার কানের কাছে নিয়ে হালকাভাবে ঝাঁকিয়ে দেখুন। যদি কোনো শব্দ না শুনতে পান, তবে ডিমটি সতেজ। কিন্তু যদি ভেতরে তরল নড়ে ওঠার মতো "ছলছল" শব্দ পান, তবে বুঝতে হবে ডিমটি নষ্ট হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে ডিমের ভেতরে আর্দ্রতা শুকিয়ে গ্যাস তৈরি হয়, যা এই শব্দের কারণ।
৩. আলোর পরীক্ষা (The Candling Method)
একটি অন্ধকার ঘরে টর্চ বা শক্তিশালী আলোর সামনে ডিমটি ধরুন। আলোর বিপরীতে ডিমটি যদি স্বচ্ছ দেখায়, তবে সেটি ভালো। কিন্তু যদি ভেতরে কোনো গাঢ় দাগ বা রিং-এর মতো আকৃতি দেখতে পান, তবে বুঝতে হবে ডিমে পচন ধরেছে। কালচে ভাব থাকা ডিম কখনোই খাওয়া উচিত নয়।
৪. ভাঙার পর কুসুমের অবস্থা (Yolk and White Condition)
রান্নার আগে ডিমটি একটি সমতল প্লেটে সাবধানে ভাঙুন। টাটকা ডিমের কুসুম গোলাকার এবং সটান থাকে এবং সাদা অংশ খুব বেশি ছড়িয়ে পড়ে না। কিন্তু যদি দেখেন কুসুমটি ফেটে যাচ্ছে বা তরল হয়ে গলে যাচ্ছে, তবে ডিমটি বাসি বা নষ্ট। এছাড়া রান্নার পর সাদা অংশ ঘোলাটে এবং দুর্গন্ধযুক্ত (Bad Odor) হলেও সেটি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
আরও পড়ুন:
একনজরে ডিম পচা না কি তাজা? বুঝতে পারবেন সহজ উপায়েই
পরীক্ষার নাম (Test Name)
ভালো ডিমের লক্ষণ (Good Egg)
পচা ডিমের লক্ষণ (Rotten Egg)
পানির পরীক্ষা (Water Test)
পাত্রের নিচে তলিয়ে যাবে এবং শুয়ে থাকবে।
পানির উপর ভেসে উঠবে।
শব্দ পরীক্ষা (Shake Test)
ঝাঁকালে কোনো শব্দ পাওয়া যাবে না।
ভেতর থেকে তরল নড়ার বা "ছলছল" শব্দ হবে।
আলোর পরীক্ষা (Light Test)
আলোর বিপরীতে ডিমটি স্বচ্ছ দেখাবে।
ভেতরে গাঢ় কালো দাগ বা রিং দেখা যাবে।
কুসুম পরীক্ষা (Yolk Test)
কুসুমটি মাঝখানে থাকবে এবং সটান গোল হবে।
কুসুমটি তরল হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে যাবে।
আরও পড়ুন:





