আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনের টানা প্রচার-প্রচারণা শেষে ভোটের জন্য প্রস্তুত দেশ। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট আসনে পাঠানো হয় ব্যালট পেপার-বাক্সসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম। নিরাপত্তায় মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। সড়ক-মহাসড়কসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় চলছে টহল। নির্বাচনের সময় যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় চলে মহড়া।
আজ (মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে মজুদ করা হয় নির্বাচনি সরঞ্জাম। পরে আসনগুলোতে পাঠানো হয়। এসময় নেয়া হয় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা। ভোটারদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে ৪০ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। মাঠে রয়েছেন ১২২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
চট্টগ্রাম-১০ এর সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জুলকার নাইম বলেন, ‘১৬টি সংসদীয় আসনে প্রত্যেকটি উপজেলা ও থানা পর্যায়ে নির্বাচন কমিশন থেকে নির্বাচনি সামগ্রী ও ব্যালট পেপার পৌঁছে দেয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
একইভাবে ময়মনসিংহে চলে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতিপর্ব। সকাল থেকে নগরীর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে চলে ব্যালট বাক্সসহ অন্যান্য সরঞ্জামের বিলিবণ্টন। গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে চোখে পড়ে সেনাবাহিনীর টহল। জেলার ১১টি আসনে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রশাসন।
ময়মনসিংহ অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শাহিনুর ইসলাম প্রামানিক বলেন, ‘সকল বাহিনী তাদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতেছে। আমরা আশা করছি আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন সবার সহযোগিতায় সুষ্ঠু অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করতে পারবো।’
এদিকে, সিলেটে বিভাগের ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রসহ সংখ্যালঘু ভোটারের নিরাপত্তায় কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দুর্গম পাহাড়ি ও পানি অধ্যুষিত এলাকায় প্রযুক্তিগত সহায়তায় অব্যাহত রেখেছে র্যাব। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে পৌঁছে দেয়া হয় নির্বাচনি সরঞ্জাম।
সিলেট র্যাব-৯ অধিনায়ক উইং কমান্ডার তাজমিনুর রহমান চৌধুরী বলেন, ড্রেনের মাধ্যমে নির্বাচনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে কিনা মনিটরিং করছি।
আরও পড়ুন:
একইভাবে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে শুরু হয়েছে হেলিকপ্টারে করে নির্বাচনি সরঞ্জাম পরিবহন। রাঙামাটির ৪টি দুর্গম উপজেলার ২০টি ভোটকেন্দ্রে পর্যায়ক্রমে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্স, ভোটগ্রহণ সামগ্রী।
সার্বিক বিষয়ে কাজ করছেন নির্বাচন কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়া, সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে মহড়াসহ টহল অব্যাহত রেখেছে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সদস্যরা।





