চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালিতে কনফিডেন্স লবণ কারখানায় প্রতিদিনের মতো কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। চলছিল পাইপ ফিটিং ও জেনারেটর স্থাপনের কাজ। হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পর দাউ দাউ করে জ্বলে উঠে আগুন। এতে দগ্ধ হন কর্মরত টেকনিশিয়ান, ইলেকট্রিশিয়ানসহ ১০ জন। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
স্বজনরা জানান, অনেক ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আছে কয়েকজন রোগী। তাদের আইসিউ প্রয়োজন। গ্যাস সিলিন্ডার বা বয়লার বিস্ফোরণে এ দুর্ঘটনার সূত্রপাত ধারণা আহত ও স্বজনদের।
স্বজনেরা আরও জানান, রোগীদের পর্যাপ্ত চিকিৎসা হচ্ছে না এখানে। তাদের উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন।
আরও পড়ুন:
দগ্ধদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুজনের শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। বাকীদের পুড়েছে ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ। পোড়া শরীর নিয়ে বার্ন ইউনিটের শয্যায় কাতরাচ্ছেন দগ্ধরা।
চমেক হাসপাতালের বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মো. এস খালেদ বলেন, ‘যারা আসছেন তাদের খারাপ অবস্থা। একজন আছে তার ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। আর সর্বশেষ ২০ শতাংশ পুড়েছে কয়েকজনের।’
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন বলেন, ‘ক্রিটিক্যাল রোগীদের আইসিউতে ট্রান্সফার করে দেব। আমাদের বার্ন ইউনিটের যারা প্রফেসর আছেন আমরা সবাই গবেষণা করছি।’
দগ্ধ শ্রমিকরা সবাই চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।





