দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা সাবা এক চিকিৎসা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, হুতিরা বন্দর ও কর্মীদের আবাসন লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করায় হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে বন্দরের কর্মীরাও রয়েছেন।
ইয়েমেনি সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, মোখা শহরের ওপর হুতিদের বেশ কিছু ড্রোন ভূপাতিত করেছে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এছাড়া একটি বিস্ফোরক বোঝাই নৌকার মাধ্যমে বন্দরের জেটিতে হামলার চেষ্টাও নস্যাৎ করে দিয়েছে সরকারি বাহিনী। সরকারপন্থী ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেস দাবি করেছে, তারা হুতিদের ১১টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
ইয়েমেনের তথ্য উপমন্ত্রী ফাইয়াদ আলনোমান বলেন, এই হামলায় ভবন, বন্দরের জেটি এবং সেখানে থাকা বাণিজ্যিক পণ্য ও খাদ্য সরবরাহের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অন্যদিকে হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে এই হামলাকে ‘বড় ধরনের ও উচ্চমানের সামরিক অভিযান’ বলে দাবি করেছেন। তার দাবি, মোখা এলাকায় সৌদি আরবের সামরিক জমায়েত ও অস্ত্রাগার লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বহু হতাহতের দাবি করেছেন তিনি।
লোহিত সাগরের সঙ্গে এডেন উপসাগরকে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ বাব-এল-মান্দেব প্রণালির কাছে অবস্থিত মোখা বন্দরটি বর্তমানে ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে পশ্চিমাঞ্চলীয় আল-খাওখা জেলায় হুতিদের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে আল হুদায়দাহর গভর্নর আল-হাসান তাহের অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। গত মাস থেকে ইয়েমেনের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন করে লড়াই জোরদার হওয়ায় দুই পক্ষেই হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।





