ট্রলারের মালিক তপন জমাদ্দার জানান, গত মঙ্গলবার ভোররাতে তালতলী থেকে ১৩ জন জেলে নিয়ে ট্রলারটি গভীর সাগরে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
সাগরে অবস্থানকালে অন্য একটি ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়লে, সে ট্রলারের ৫ জেলেকে উদ্ধার করে ‘এফবি মহিমা’ ট্রলারে আশ্রয় দেওয়া হয়। ফলে ট্রলারটিতে মোট জেলের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৮ জনে। পরবর্তীতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্র প্রচণ্ড উত্তাল হয়ে উঠলে তীব্র ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি সাগরে ডুবে যায়।
ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার পর ১৮ জন জেলেই সাগরে ভেসে যান। এ সময় কাছাকাছি থাকা অন্য একটি মাছ ধরা ট্রলারের জেলেরা সাগরে ভাসমান অবস্থায় ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন। উদ্ধারকৃত জেলেদের নিরাপদে পটুয়াখালীর মহিপুর বন্দরে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকেই ডুবে যাওয়া ট্রলারসহ বাকি ২ জেলের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। পাথরঘাটা কোস্টগার্ড এবং ট্রলার মালিক সমিতির যৌথ উদ্যোগে ৪টি ছোট ট্রলার নিয়ে সাগরে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





