সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া বার্তায় ভন ডার লিয়েন বলেন, ‘সুখবর হচ্ছে, স্পেন ও মরক্কোর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপের কারণে অবৈধভাবে ঢুকে পড়া অধিকাংশ মানুষই মরক্কোয় ফিরে গেছেন। কোনো একজন মানুষও স্পেনের মূল ভূখণ্ড বা ইইউর অন্য কোনো অংশে পৌঁছাতে পারেননি।’
ভন ডার লিয়েন জানান, সেউতা পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা জানতে তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ ও অভিবাসনবিষয়ক কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার এবং ভূমধ্যসাগর ও জনমিতিবিষয়ক কমিশনার দুব্রাভকা সুইকার সঙ্গে টেলিফোন-বৈঠক করেছেন। এই ঘটনা ইউরোপের সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বকেই স্পষ্ট করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ইইউ প্রধান বলেন, ‘এটি দেখিয়ে দিয়েছে, কেন ইউরোপের সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের একটি শক্তিশালী ব্যবস্থা রয়েছে, তবে সেটিকে আরও জোরদার করা প্রয়োজন।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইইউ কর্তৃপক্ষকে গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে সতর্ক থাকতে হবে এবং সব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে নিবিড় সমন্বয় বজায় রাখতে হবে। ভন ডার লিয়েন আরও বলেন, ‘একই সঙ্গে ইউরোপের সহনশীলতা বাড়াতে অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেয়ার প্রক্রিয়াও চালু রাখতে হবে।’
তিনি বলেন, প্রথম মুহূর্ত থেকেই ইউরোপীয় কমিশন স্পেনকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। ‘আমি বেশ কয়েকজন নেতার কাছ থেকে চিঠি পেয়েছি এবং পরিস্থিতির মূল্যায়নের জন্য বিশেষ ভিডিও কনফারেন্সের আহ্বানকে স্বাগত জানাই। অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সংহতি ও ঐক্যবদ্ধ ইউরোপীয় সাড়া প্রয়োজন।’
এর আগে সেউতা পরিস্থিতি নিয়ে ইইউর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করেন ইউরোপের বেশ কয়েকজন নেতা। আরও অনিয়মিত অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ দেন তারা।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই সংকটের সময় স্পেনে পৌঁছাতে গিয়ে কমপক্ষে ৬৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। মরক্কো থেকে সেউতায় প্রবেশ করা প্রায় ৭০ হাজার অভিবাসীর মধ্যে বেশির ভাগই এরই মধ্যে ফিরে গেছেন।





