সারা দেশের মতো নারায়য়ণগঞ্জেও জ্বালানি সংকটে বাড়ছে গ্রাহকদের দুর্ভোগ। সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও কাঙ্ক্ষিত তেল না পেয়ে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেককে তেল না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েন অফিসগামী ও কর্মজীবীরা। প্রায় প্রতিদিনই এমন বিড়ম্বনায় বাড়ছে ক্ষোভ।
দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর যেমন কর্মঘণ্টা কমছে তেমনি ভোগান্তি ও বাড়ছে বলে দাবি করেন তেল নিতে আসা অফিসগামীদের।
বর্তমানে পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা এবং প্রাইভেটকারে ১ হাজার টাকার তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে দিনশেষে ফের দাঁড়াতে হয় লাইনে। অন্যদিকে, পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে, ডিপো থেকে সরবরাহ কম হওয়ায় চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে দিনের বড় একটি অংশ তেলশূন্য হয়ে বন্ধ করে দিতে হয় পাম্প।
আরও পড়ুন:
পাম্প কর্তৃপক্ষ একজন বলেন, ‘আমরা পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় যারা তেল নিতে আসে তাদেরকে আমরা তেল ঠিক মতো দিতে পারছি না।’
জ্বালানির এমন সংকট কমাতে তৎপরতা বাড়িয়েছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। রাতের আঁধারে অবৈধ মজুত করছে তেল। সম্প্রতি প্রশাসনের বেশ কয়েকটি অভিযানে উদ্ধার করা হয় হাজার হাজার লিটার জ্বালানি। অবৈধ মজুত ঠেকাতে বাধ্য হয়ে জেলার ৬৩টি পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
নারায়ণগঞ্জ ট্যাগ অফিসার তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মূলত সরকারকর্তৃক তেল পাম্পের অনুমোদন আছে কিনা। এমনি তেল আনার জন্য পে অর্ডার আছে কিনা। কোনো মজুত আছে কিনা তা আমরা মনিটরিং করি।’
দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা ভুক্তভোগীদের। পাশাপাশি অবৈধ মজুত ঠেকাতে প্রশাসনকে আরও নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা।





