ভিডিওতে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া ওই যুবককে বলতে শুনা যায়, লিবিয়া থেকে সাগর পথে তারা ৪৩ জন রওনা হয়েছিলেন। তাদের বড় বোটের কথা বলে ছোট হাওয়াই বোটে তুলে দেয়া হয়। ওই বোটে সুদানের ৫ নাগরিক ও অন্য ৩৮ জন বাংলাদেশি ছিলেন।
তাদের মধ্যে ১৮ জন মারা গেছেন, যাদের বাড়ি সিলেটের সুনামগঞ্জে। মারা যাওয়া যুবকদের মরদেহ দুই দিন বোটে রাখা হয়েছিল। পরে মরদেহ পচে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় সকলকে সাগরে ফেলে দেয়া হয়।
নিহতরা হলেন, দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের তারপাশা গ্রামের আবু সর্দারের ছেলে মো. নুরুজ্জামান সর্দার ময়না (৩২), মৃত ক্বারী ইসলাম উদ্দীনের ছেলে মো. সাহান এহিয়া (২২), আব্দুল গণির ছেলে মো. সাজিদুর রহমান (২৬), রাজানগর ইউনিয়নের রনারচর গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে মুজিবুর রহমান (৪০) ও করিমপুর ইউনিয়নের মাটিয়াপুর গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. তারেক মিয়া (২৪)।
আরও পড়ুন:
মারা যাওয়ার পর তাদের লাশ সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে নিহত মো. সাহান এহিয়ার বড় ভাই জাকারিয়া বলেন,‘ প্রতি জন ১২ লাখ টাকায় চুক্তিতে গত মাসে বাড়ি থেকে রওনা হয়। প্রথমে তাদের ঢাকা থেকে বিমানে সৌদি আরব, পরে সৌদি আরব থেকে মিসর, মিসর থেকে লিবিয়া নেয়া হয়। এবং লিবিয়া নেয়ার পর অর্ধেক টাকা পরিশোধ করা হয়।
গত কয়েক দিন তাদের কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ বিকেলে আমার চাচাতো ভাই রুহান গ্রিস থেকে জানিয়েছে সাহানসহ দিরাইয়ের ৪ জন মারা গেছে।
দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজীব সরকার বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পেরেছি দিরাইয়ের ৫ যুবক লিবিয়া থেকে গ্রিসে যাওয়ার পথে সাগরে মারা গেছেন। বিষয়টি খুবই কষ্টকর ও মর্মান্তিক। যুবকদের মৃত্যুর সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।’





