উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়ক। এই পথ দিয়েই প্রতিদিন ২২ জেলার হাজার হাজার যানবাহনের চলাচল। সাধারণ সময়ে সংখ্যাটা ২৫ থেকে ৩০ হাজার থাকলেও, ঈদকে সামনে রেখে তা বেড়ে যায় কয়েকগুণ।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই মহাসড়কটি এখন চার লেনে উন্নীত। ফলে এবারের ঈদযাত্রায় উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য এটি হবে আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বস্তির।
তবে টোল প্লাজায় যানবাহনের চাপে টোল আদায়ে ধীরগতি হলে, তার প্রভাব পড়তে পারে পুরো মহাসড়কে। এছাড়া হাটিকুমরুল মোড়ে ইন্টারচেইঞ্জের কাজ চলমান থাকায় রাস্তা সরু হয়ে যানজট সৃষ্টির আশঙ্কা করছেন চালক ও যাত্রীরা।
আরও পড়ুন:
অবশ্য আশার কথা শোনাচ্ছে সড়ক বিভাগ। ঈদে যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে খুলে দেয়া হচ্ছে ইন্টারচেইঞ্জের দুটি লেন। এছাড়াও যানজট নিরসনে নেয়া হয়েছে বাড়তি প্রস্তুতি।
সাসেক-২ প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘এলেঙ্গা যে ফ্লাইওভারটা হচ্ছে সেখানে আমরা ৩ লেন করে ৩ লেন করে ৬ লেন করে দিয়েছি। তাই আশা করা যায় এবারের এলেঙ্গা তেমন একটা জায়ম হবে না।’
এদিকে পুলিশ জানায়, ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে মহাসড়ক জুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু বলেন, ‘পণ্যবাহী যে ট্রাক রয়েছে সেগুলোর নিরাপত্তায় জেলা পুলিশ বিশেষ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। তেমনি ঈদের আগে বাস-ট্রাকসহ সব মানুষের জন্য আরও কিছু পদক্ষেপ নেবো।’
মহাসড়কের প্রশস্ততা যেমন স্বস্তি দিচ্ছে, তেমনি টোল প্লাজা আর ইন্টারচেইঞ্জ নিয়ে শঙ্কাও রয়ে গেছে। তাই উত্তরবঙ্গবাসীর এবারের ঈদযাত্রা শেষ পর্যন্ত কতটা নির্বিঘ্ন হবে—তা অনেকটাই নির্ভর করছে মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ওপর।





