আলো ঝলমলে শহর, বিপণি বিতানগুলোতে কোলাহল-এসব কিছুর নেপথ্যে যাদের অবদান তারা হলেন প্রবাসী। তাদের ঘাম ঝরা কষ্টার্জিত অর্থ হাসি ফোটাচ্ছে স্বজনের মুখে।
সারা বছর রেমিট্যান্স এলেও ঈদের সময় তা বেড়ে যায় ২৫-৩০ শতাংশ। পরিবারের ঈদের পোশাক, জাকাত-ফিতরা, আত্মীয়স্বজনকে উপহার সবকিছুতেই ভরসা প্রবাসী আয়।
প্রবাসীদের পরিবারের সদস্যদের একজন বলেন, ‘প্রবাস থেকে টাকা পাঠানোর পর আমরা ঈদের শপিং করি। আর তারা আমাদের জন্য অনেক কষ্ট করে।’
আরও পড়ুন:
সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ঈদ বাণিজ্য নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে জেলার ব্যবসায়ীরা। চিন্তার ভাঁজ প্রবাসীদের স্বজনদের মুখেও৷
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে দেশের বাজারেও বিরূপ প্রভাব পড়েছে বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা। পরিবার ছাড়াও ঈদকেন্দ্রিক অর্থপ্রবাহে চাঙা স্থানীয় অর্থনীতি। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কিছুটা উৎকণ্ঠা থাকলেও চলতি মাসে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ রেমিট্যান্স বাড়বে বলে আশা ব্যাংক কর্মকর্তাদের।
ফেনী শাখার ইসলামী ব্যাংকের ব্যাস্থাপক শহীদুল আলম বলেন, ‘প্রবাসী ভাইয়েরা যে আনন্দের মধ্যে ঈদটা কাটাতে পারে। সে জন্য তারা রমজান মাসে রেমিট্যান্সটা বাড়িয়ে পাঠায়।’
জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস সহকারী পরিচালক দিদার মিয়া বলেন, ‘স্বাভাবিকের তুলনায় এসময় রেমিট্যান্স একটু বৃদ্ধি পায়। আর সরকারি ভাবে যদি প্রণোদনা বাড়িয়ে দেয়া হয় তাহলে রেমিট্যান্সের পরিমাণ আরও বাড়বে।’
জনশক্তি ও কর্ম সংস্থান অফিসের দেয়া তথ্য মতে, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ৮৭৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এসেছে। গত ঈদে যা ছিল ১০১ মিলিয়ন। এবার আরও বহুগুণে বাড়বে বলে মনে করছেন ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা।
ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে মিলন হলেও প্রবাসীদের জন্য ঈদ-দূরদেশে নির্জন কর্মদিবস। তবুও প্রিয়জনের হাসিই তাদের প্রেরণা।





