অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘কেউ যেন প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি মজুদের চেষ্টা না করে। বিক্রির জন্য অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ যেন জ্বালানি তেলের মজুদ করতে না পারে সে বিষয়ে প্রশাসন থেকে সর্বোচ্চ নজরদারি করা হচ্ছে। একইসাথে জ্বালানি তেলের মূল্য বেশি নেয়া হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এসময় রাঙামাটিতে দৈনিক জ্বালানি তেলের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন তেল সরবরাহকারীরা। তবে তেলের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি হওয়ার শঙ্কায় পাম্পগুলোতে সকাল থেকেই ভোক্তাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
ভোক্তাদের একজন রবি চাকমা বলেন, ‘সবাই সকাল থেকে পাম্পে ভিড় করছে। তেলের সংকট হতে পারে। দামও বাড়তে পারে। তাই ট্যাঙ্ক ফুল করে রাখছি।’
আরও পড়ুন:
তবে শহরের কল্যাণপুরের পেট্রোল পাম্প তান্যাবি এন্টারপ্রাইজ এর সত্ত্বাধিকারী সুফল চাকমা বলেন, ‘শহরে চারটি পাম্প এবং খুচরা বিক্রেতা রয়েছেন অন্তত ৫০ জন। আপাতত কোন সংকট নাই। আমরা সরকারের নির্দেশনা মেনেই জ্বালানি তেল সরবরাহ করছি।’
রাঙামাটি পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, ‘জেলায় ৭ টি তেলের পাম্প রয়েছে। সেখানে তেল সরবরাহের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলবে। পরিস্থিতি নজরদারি রাখতে পুলিশের মোবাইল টিম কাজ করবে।’
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে। জ্বালানি তেলের মূল্য বেশি নেয়া হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। দৈনিক জ্বালানি তেলের মজুদের তথ্য প্রতিদিনই জানিয়ে দেয়া হবে জেলা প্রশাসন থেকে।’
এসময় সভায় পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও জ্বালানি তেলের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।





