লম্বা লাইন, অপেক্ষা, আর অস্থিরতা। জ্বালানি ভরতে হুমড়ি খেয়ে সারিতে গাড়ি-মোটরসাইকেল চালকরা। রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি নিতে সকাল থেকেই এমন দৃশ্য। শনিবার রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রি শুরু হলেও অনেক জায়গায় পাম্প ছাড়িয়ে সারি উঠেছে মূল সড়ক ও আশেপাশের গলিতে। আর এতে ভোগান্তিতে চালকেরা।
পরিমাণ নির্ধারিত থাকায় ট্রিপ দেয়া রাইড শেয়ার ও ডেলিভারি চালকদের পড়তে হচ্ছে বাড়তি সমস্যায়। স্বল্প তেলে কাজ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
আরও পড়ুন:
ট্রিপভিত্তিক নির্ধারিত পরিমাণ মেনেই তেল দিচ্ছে পাম্পগুলো। একই যানবাহন যাতে একাধিকবার তেল নিতে না পারে, সেদিকেও রাখা হচ্ছে নজর। সরকারের দাবি, দেশে জ্বালানির মজুত স্বাভাবিক রয়েছে। তবে গুজবের কারণে হঠাৎ চাহিদা বাড়ায় পাম্পগুলোতে চাপ তৈরি হয়েছে।
এতে পাম্প থেকে সড়ক পর্যন্ত গাড়ির লাইন ছড়িয়ে পড়ে, তৈরি হয় যানজট। আর স্বল্প পরিমাণে তেল পাওয়ায় ভোগান্তির কথা বলছেন রাইডাররা।
বিক্রেতারা বলছেন, নির্ধারিত নিয়ম মেনেই জ্বালানি বিক্রি করা হচ্ছে। একই যানবাহন যাতে একাধিকবার তেল নিতে না পারে, সেদিকেও রাখা হচ্ছে নজর।
সরকারের দাবি, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রয়েছে। এ অবস্থায় উদ্বিগ্ন না হয়ে সহনশীল আচরণের অনুরোধ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের।





