পেনসিলভানিয়া ডিফেন্স অ্যান্ড ইনোভেশন সামিটে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা খুব শিগগির ইরানকে পরাজিত করব। তারা খুব শিগগির পরাজিত হবে।’ ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানিরা এখন সমঝোতা করার জন্য ‘খুব মরিয়া’ হয়ে উঠেছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা যা করছি তা তারা পছন্দ করছে না এবং তারা সমঝোতা করতে চায়। আমরা তাদের সঙ্গে কোনো রফায় আসব কি না, নাকি বিষয়টি পুরোপুরি শেষ করে দেব, তা সময়ই বলে দেবে।’
এর আগে গত মঙ্গলবার ট্রাম্প জানান, মার্কিন মধ্যস্থতাকারীরা ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের বার্তা দিয়েছেন যে, ‘আপনাদের জন্য কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোই ভালো হবে।’
তবে ইরানের সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার একমাত্র উপায় হলো গত জুনে দুই পক্ষের সই করা ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকটি (এমওইউ) যুক্তরাষ্ট্রের মেনে চলা। পাশাপাশি এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ‘ইরানি নিয়মাবলি’ বাস্তবায়ন করতে হবে।
তীব্র এই বৈরিতার মধ্যেও একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ২০২৪ সালে বাইডেন প্রশাসনের সময় ‘অন্যায়ভাবে আটক’ হওয়া এক আমেরিকান নাগরিককে দেশ ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের এই সদিচ্ছার প্রশংসা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।’
মানবাধিকার আইনজীবী জ্যারেড গেনসার মুক্তি পাওয়া ওই আমেরিকানের পরিচয় নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তার নাম ডেনা কারারি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে তাকে ইরান ছাড়তে বাধা দেয়া হচ্ছিল। গেনসার এক্সে লিখেছেন, ‘ডেনা এখন নিরাপদ এবং যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসছেন।’ তাকে মুক্ত করার প্রচেষ্টার জন্য তিনি ট্রাম্পকেও ধন্যবাদ জানান।





