তিব্বতি ও উইঘুরসহ চীনের ৫৫টি সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে একটি ‘অভিন্ন’ জাতীয় পরিচয় তৈরির লক্ষ্যে গত মার্চ মাসে এই আইনটি পাস করা হয়। আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই আইনে একটি ধারা রয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে—চীনের ভূখণ্ডের বাইরে থাকা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি ‘জাতিগত ঐক্য ও অগ্রগতি’ নষ্ট করে অথবা ‘বিচ্ছিন্নতাবাদে উসকানি’ দেয়, তবে তাদের আইনত দায়ী করা হবে।
এই আইনের ফলে বিশেষ করে তাইওয়ানের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তাইপে মনে করছে, এর মাধ্যমে তাইওয়ানের স্বাধীনতাকামীদের দমনের নতুন একটি আইনি ভিত্তি পাবে বেইজিং। মানবাধিকার সংগঠনগুলোও অভিযোগ করেছে যে, চীন প্রায়ই ইন্টারপোলের ‘রেড নোটিশ’ ব্যবহার করে রাজনৈতিক অপরাধীদের বিদেশ থেকে গ্রেপ্তার করানোর চেষ্টা করে।
বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের বিচার বিষয়ক উপমন্ত্রী হু উইলি বলেন, পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো এই বিদেশের মধ্যকার ধারাটি নিয়ে ‘ভুল ব্যাখ্যা’ দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এই বিধানটি চীনের জাতীয় পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এটি আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। প্রতিটি দেশেরই অধিকার রয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড রোধে নিজস্ব আইন তৈরির।’
হু উইলি আরও দাবি করেন যে, এই আইনের মাধ্যমে বহিরাগতদের অবৈধ কর্মকাণ্ড থেকে চীনের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থ রক্ষা করা হবে। তবে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, এই আইনটি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে স্বাভাবিক যোগাযোগ, একাডেমিক আলোচনা বা অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে কোনো প্রভাব ফেলবে না।





