আদালত সূত্রে জানা যায়, গত এপ্রিল মাসে উদীচীর কেন্দ্রীয় সংসদের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন মাহমুদ সেলিম ও অমিত রঞ্জন দে। মামলায় বিবাদী করা হয় উদীচীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপনকে।
এর মধ্যে গত ১০ জুলাই উদীচী ঢাকা মহানগরের চতুর্দশ সম্মেলনের দিন ধার্য হয়। সে সম্মেলনের কার্যক্রমসহ অন্যান্য সাংগঠনিক তৎপরতার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আবেদন যুক্ত করে বাদীপক্ষ।
আদালত বিবাদীপক্ষকে কেন উদীচীর সাংগঠনিক তৎপরতার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না, জানতে চেয়ে বিবাদীদের কারণ দর্শানোর আদেশ দেন এবং ঢাকা মহানগর সম্মেলনের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেন।
তার প্রেক্ষিতে উদীচীর সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন আদালতে যথাযথ কারণ উপস্থাপন করেন। সেখানে উদীচীর গঠনতান্ত্রিক বিধি, বিগত ২৩তম জাতীয় সম্মেলনের প্রয়োজনীয় কার্যবিবরণী এবং নিয়মতান্ত্রিক সাংগঠনিক তৎপরতার ধারাবাহিকতা ও যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। তাতে বিজ্ঞ সিভিল জজ আদালত-১৫, ঢাকা সন্তুষ্ট হয়ে বাদীপক্ষের আবেদন খারিজের আদেশ দেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলার শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুদ্দিন আহমেদ ও অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন তসলিম। এসময় দুই বিবাদীসহ উদীচীর কেন্দ্রীয় নেতারা আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন।
শুনানিতে অংশ নেয়া অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন তসলিম বলেন, ‘আদালতের এই আদেশের মধ্য দিয়ে ঢাকা মহানগর উদীচীর সম্মেলনসহ অন্যান্য সাংগঠনিক কার্যক্রমে আর কোনো বাধা রইলো না। পাশাপাশি বাদীপক্ষ যে একটি বৈধ ও গঠনতান্ত্রিক কমিটির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেছে, তার ভিত্তিও নড়বড়ে হয়ে গেলো।’





