আজ (রোববার, ৭ জুন) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রথমে পরিচালক পদে সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন তামিম। পরবর্তীতে নবনির্বাচিত পরিচালকদের প্রত্যক্ষ ভোটে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিসিবির সভাপতি নির্বাচিত হন। একই সঙ্গে বোর্ডের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফাহিম সিনহা।
নির্বাচন ও বোর্ড গঠনের পর মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে নতুন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ভাবনার কথা জানান। বিগত দিনে দেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি সংকটের কথা উল্লেখ করে তামিম বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের যে সম্মানহানি হয়েছে, তা আমি একা ঠিক করতে পারব না, এখানে সবার সাহায্য দরকার। দেখি ‘‘বাপের দোয়া’’ থেকে ‘‘ক্রিকেটের দোয়া’’ করতে পারি কি না। আমি যাইই পদক্ষেপ নিই, আমি নিশ্চিত আপনারা জানতে পারবেন।’
গঠনতন্ত্রের প্রথা ভেঙে দুজন সহ সভাপতির জায়গায় আপাতত একজন সহ সভাপতি (ফাহিম সিনহা) নিয়োগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তামিম বলেন, ‘সহ সভাপতি দুজন হলে নিজেদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি হয়। যে কারণে একজনের প্রস্তাব করা হয়েছে। বোর্ড মনে করেছে আপাতত একজন সহ সভাপতি থাকবে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে দ্বিতীয় সহ সভাপতি নেয়া হবে।’
আরও পড়ুন:
বোর্ডের বর্তমান বিতর্কিত গঠনতন্ত্র নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি যোগ করেন, ‘গঠনতন্ত্র বিতর্কিত, যেসব জিনিস আমাদের করা দরকার, পরিস্থিতি আসলে তা করব।’
এর আগে, গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বিসিবির আগের বোর্ড ভেঙে দিয়ে একটি অ্যাড-হক কমিটি গঠন করেছিলো, যেখানে তামিম ইকবালকে অন্তর্বর্তী সভাপতি করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি পূর্ণাঙ্গভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ পদে আসীন হলেন।
আজকের নির্বাচনে ক্লাব ক্যাটাগরিতে মোট ৭৬টি ভোটের মধ্যে ৭৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে পরিচালক পদে সবচেয়ে বেশি ৭৩টি ভোট পান তামিম ইকবাল।
নির্বাচনে বিজয়ী অন্য পরিচালকদের মধ্যে সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ ও ইশরাফিল খসরু ৭২টি করে ভোট পান। এছাড়া মাসুদুজ্জামান ৭০, ফয়সাল ইয়াসির ৬৮, ফাহিম সিনহা ও শানিয়ান তানিম ৬৬ করে, আসিফ রাব্বানী ৬৪, মির্জা ইয়াসির আব্বাস ৬৩, রফিকুল ইসলাম বাবু ৫৩ এবং ড. শামীম ৪১ ভোট পেয়ে পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত চার প্রার্থী বোরহানুল পাপ্পু (৪০), আমজাদ হোসেন (৩২), ফয়জুর রহমান মিতু (২৩) এবং মেজর ইমরোজ আহমেদ (২০) কাঙ্ক্ষিত ভোট পেতে ব্যর্থ হন।





