আজ (মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট) বিকেলে নিহতের স্বামীর বড় ভাই রফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে তিনি দাবি করেন, গত ৭ আগস্ট ভোর ৫টার দিকে তার ছোট ভাই রাজ্জাকের স্ত্রী ফতেমা খাতুন শ্বাসকষ্টসহ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের পরামর্শে দ্রুত আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রিপা রোগীকে দেখে অক্সিজেন না দিয়ে অবহেলা করেন।
রোগী অসুস্থতার অভিনয় করছেন বলেও ওই চিকিৎসক মন্তব্য করেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। প্রায় দুই ঘণ্টা রোগীকে হাসপাতালের ফ্লোরে ফেলে রাখা হয়। পরে স্থানীয় কয়েকজন সমাজসেবক কল করলে আকস্মিক তাকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে রেফার করে দেয় তারা।
আরও পড়ুন:
সকাল ১০টার দিকে রোগীকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে রংপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৮ আগস্ট বিকেল ৫টার দিকে ওই নারী মারা যান। স্বজনদের অভিযোগ, আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অক্সিজেন দিলে বেঁচে যেতেন।
অভিযোগকারী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিলে আজ দুইটি প্রাণ বেঁচে যেতো। গরিবের কোন চিকিৎসা নেই। আমরা এ ঘটনার ন্যায়বিচার চাই।’
আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ওই রোগীকে হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। ৮ আগস্ট রংপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। চিকিৎসার অবহেলার যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সঠিক নয়।’
পঞ্চগড় সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো আমার হাতে অভিযোগ পৌঁছায়নি। অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে।’




