ইন্টার্ন চিকিৎসক নেতারা জানান, চিকিৎসক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন, হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং হাসপাতালের ধারণক্ষমতার বাইরে রোগী ভর্তি না করার দাবিতে তারা এ কর্মসূচি পালন করছেন। পরে এসব দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি হাসপাতালের পরিচালক বরাবর প্রদান করা হয়।
আরও পড়ুন:
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, হাসপাতালে জনবল ও শয্যার তুলনায় ৬-৭ গুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকে। একজন চিকিৎসককে গড়ে ৫০-৬০ জন রোগী সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। এর দায় মূলত প্রশাসনের হলেও হামলার শিকার হতে হয় চিকিৎসকদের। এই অনিরাপদ পরিবেশে চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব। তবে মানবিক কারণে জরুরি বিভাগ এই কর্মবিরতির আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।
একই ঘটনার প্রতিবাদে আজ দুপুরে হাসপাতালের গোল চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম।




