গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। কিন্তু তাতে বসে না থেকে পাল্টা হামলা চালায় তেহরান। এতে মাশুল গুনতে হয়েছে ওয়াশিংটন-তেহরান দু’পক্ষকেই। সম্প্রতি এ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কী পরিমাণ সামরিক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে সে বিষয়ে একটি তালিকা দিয়েছে ওয়াশিংটন ডিসি ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)।
সিএসআইএস বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের হামলা এবং তথাকথিত ফ্রেন্ডলি ফায়ারে যুক্তরাষ্ট্রের মূলত আকাশপথের এই বিপুল পরিমাণ সম্পদ ধ্বংস হয়েছে। ধ্বংস হওয়া সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ৭০ কোটি ডলারের একটি এডব্লিউএসি রাডার বিমান, ৪৮ কোটি ৫০ লাখ থেকে ৯৭ কোটি ডলার মূল্যের মিসাইল-প্রতিরক্ষা রাডার, তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান, বেশ কয়েকটি রিপার ড্রোন এবং একটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন।
আরও পড়ুন:
শুধু তাই নয়, গত ৩০ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে এক জরুরি শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিরক্ষা দপ্তর জানায়, এ পর্যন্ত যুদ্ধে তাদের প্রত্যক্ষ ব্যয় হয়েছে ২৫ বিলিয়ন ডলার ।
তবে ডেমোক্র্যাট নেতা রো খান্না দাবি করেন, যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে আমেরিকার অর্থনীতির ওপর মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৬৩১ বিলিয়ন ডলার, যা প্রতি পরিবারের জন্য প্রায় পাঁচ হাজার ডলার করে।
এরইমধ্যে হরমুজ প্রণালি শিগগিরই খুলে না দিলে লাখ লাখ মানুষ ক্ষুধা ও অনাহারের সম্মুখীন হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ। তাই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ নিরসনের আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি।




