ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন ও বর্তমান অবস্থা (Implementation Steps and Current Status)
প্রাথমিকভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিক কার্যকরের সুপারিশ থাকলেও নানা কারণে তা বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমানে নতুন কমিটির তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখার প্রক্রিয়া চলছে। সূত্র অনুযায়ী, পে-স্কেল একবারে নয় বরং ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে এবং প্রথম ধাপেই মূল বেতন (Basic Salary) বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
কর্মসূচির ডাক (Protest and Program)
নতুন পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ১৬ মে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বৃহৎ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। শুক্রবার (১ মে) সংগঠনটির আহ্বায়ক আবদুল মালেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আন্দোলন ও কর্মসূচির ঘোষণা (Program and Movement Declaration)
আজ (শনিবার, ২ মে) সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, কর্মচারীদের দাবি সরকারের নজরে আনতে মে মাসজুড়ে দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করা হবে। কর্মসূচির সূচি অনুযায়ী:
- ৮ মে: পটুয়াখালীতে প্রতিনিধি সমাবেশ।
- ৯ মে: খুলনায় প্রতিনিধি সমাবেশ।
- ১৬ মে: ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা।
কর্মচারীদের মানবেতর জীবন ও ক্ষোভ (Employees' Hardship and Grievances)
সমিতির নেতৃবৃন্দ জানান, প্রতি ৫ বছর অন্তর পে-স্কেল হওয়ার কথা থাকলেও গত ১১ বছরে একটি পে-স্কেলও পাননি তারা। আকাশচুম্বী দ্রব্যমূল্যের বাজারে নিম্ন গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা ঋণের দায়ে জর্জরিত। বেতন পাওয়ার ১০-১৫ দিনের মধ্যেই টাকা শেষ হয়ে যাওয়ায় তারা পুনরায় ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। তাদের মতে, ২২ লাখ সরকারি কর্মচারীর ভাগ্য উন্নয়নে সরকার যদি বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখে, তবেই ৪৪ লাখ হাত সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আরও গতিশীলভাবে কাজ করতে পারবে।
সরকারের প্রস্তুতি ও পে-স্কেল কার্যকর (Government Preparation)
অন্যদিকে, বেতন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নতুন পে-স্কেল প্রস্তাব চূড়ান্ত করতে ১০ সদস্যের একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই, ২০২৬ থেকে নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে কার্যকর হতে পারে। এবারের বাজেটে এ লক্ষ্যে বিশেষ বরাদ্দ রাখার নীতিগত সিদ্ধান্তও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন:





