এ মামলার অপর তিন আসামি ভুক্তভোগীর শশুর আ. বারেক, শাশুরি ও ভাসুরকে খালাস দেয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় স্বামী মো. সোলায়মান পলাতক ছিলেন। সোলায়মান গালুটিয়া গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে।
স্পেশাল জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট শাহজাহান কবির জানান, সোলায়মানের স্ত্রী আয়শা খানমের গায়ের রং কালো হওয়ায় তাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত ঝগড়া হতো। ২০০৭ সালের ৫ মার্চ রাতে ঝগড়ার এক পর্যায়ে সোলায়মান তার স্ত্রীকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মরদেহ গুমের জন্য গালুটিয়া এলাকায় বাঁশঝাড়ে ফেলে দেয়।
আরও পড়ুন:
পরদিন স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। এ ঘটনায় আয়শা খানমের মামা আদম আলী বাদি হয়ে ৬ মার্চ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ তদন্ত শেষে ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর আয়শার স্বামী সোলায়মান, শশুর আ. বারেক, শাশুরি ও ভাসুরের নামে অভিযোগ পত্র জমা দেন। আদালত সমস্ত সাক্ষ্য প্রমাণ বিচার শেষে আজ এ রায় ঘোষণা করেন।
অ্যাডভোকেট শাহজাহান কবির বলেন, ‘এ রায়ে আমি সন্তুষ্ট। আমরা প্রতিটি মানুষকে যেন গায়ের রঙে বিবেচনা না করি; প্রতিটি মানুষ অন্যদের যাতে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করি, এ আহ্বান রইলো।





