আখাউড়া বন্দরে রাজস্ব কমতি; নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে জোর দাবি

আখাউড়া কাস্টম স্টেশন
আখাউড়া কাস্টম স্টেশন | ছবি: এখন টিভি
0

অনিয়মিত পণ্য আমদানির কারণে আখাউড়া স্থলবন্দরে রাজস্ব কমলেও পণ্যের ওপর ভারতের দেয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি ব্যবসায়ীদের। তাদের দাবি, এর মাধ্যমে রপ্তানি আয় বাড়ার পাশাপাশি সরকার পাবে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য কাজ করা হচ্ছে।

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন রড, সিমেন্ট, হিমায়িত মাছ ও ভোজ্যতেলসহ প্রায় দুই কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি হয় উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপড়েনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় রপ্তানি বাণিজ্য। এক পর্যায়ে স্থলবন্দর দিয়ে প্লাস্টিক ফার্নিচার, পিভিসি সামগ্রী, প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফলের জুস এবং তুলার মতো উচ্চ চাহিদা সম্পন্ন কয়েকটি পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত সরকার।

তবে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর টানাপড়েন অনেকটা কমায় স্থলবন্দরটি দিয়ে রপ্তানি বেড়েছে। এদিকে ভারত সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সবধরনের পণ্য আমদানির অনুমতি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি ব্যবসায়ীদের। আশ্বাস দিয়েছে শুল্ক কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন:

ব্যবসায়ীরা জানান, বিভিন্ন কারণে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিলো যার কারণে পণ্য পরিবহণে বাধা তৈরি হয়েছিলো। নিষিদ্ধ পণ্য ছাড়া সব ধরনের পণ্য ইনপুটে করার পারমিশনের দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।

আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশন সহকারী কমিশনার কাজী আল মাসুম বলেন, ‘দপ্তরের পক্ষ থেকে আমরা জানিয়েছি। আমরা এনবিআরে লিখিতভাবে জানিয়েছি। ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে যে রেস্ট্রিকশন রয়েছে এটি তুলে দিলে বন্দরে যারা রপ্তানিকারক রয়েছে তারা আরও বেশি করে রপ্তানি করতে পারবে। সরকারও বেশি রাজস্ব আদায় করতে পারবে।’

চলতি অর্থবছরে গত মার্চ পর্যন্ত আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে রপ্তানি হয়েছে ৪৩৭ কোটি টাকার পণ্য ও একই সময়ে আমদানি হয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকার চাল, জিরা ও আগরবাতি। যা থেকে সরকারের রাজস্ব আয় ৭১ লাখ ৩২ হাজার টাকা।

এফএস