বুধবার (৮ এপ্রিল) ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকেই লেবাননের উপর বিধ্বংসী হামলা চালায় ইসরাইল। এই হামলার নিন্দা জানাতে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ৬০টিরও বেশি দেশ। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের জাতিসংঘ দূত আবারও নিশ্চিত করেছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত।
অন্যদিকে, লেবাননের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে চান বলে জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এ যুদ্ধ এখনই থামবে না বলে স্পষ্ট করেন তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এ হামলার ব্যাপারে ইসরাইলকে সমর্থন দিয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ভেস্তে দেয়, তাহলে তার পরিণতি বহন করতে হবে। তিনি বলেন, ‘এর পেছনে ইসরাইলি নেতার কোনো গোপন উদ্দেশ্য রয়েছে।’
আরও পড়ুন:
এদিকে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানের টোল আদায়ের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অর্থ আদায়ের বিষয়ে কিছু ছিল না। ইরানের সাহায্য থাকুক বা না থাকুক, তেলের পরিবহন শুরু হবে। আর আন্তর্জাতিক জলপথে টোলের কোনো স্থান নেই বলেও মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
লেবাননের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এরই মধ্যেই ভেঙে পড়ার মুখে। রাজধানী বৈরুতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে জোরপূর্বক সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদরোস আধানম গেব্রিয়াসুস।
এদিকে যুদ্ধবিরতির পর কুয়েতের ন্যাশনাল গার্ড স্থাপনায় ড্রোন হামলার কথা অস্বীকার করেছে আইআরজিসি। অন্যদিকে ইসরাইলে হিজবুল্লাহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে আইডিএফ।





