সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইরান সৌদিকে একটি ‘ভ্রাতৃপ্রতিম’ দেশ হিসেবে বিবেচনা করে এবং দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদার করতে চায়। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, অঞ্চলে বাইরের শক্তির উপস্থিতি উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযান কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে নয়; বরং যারা আরব জাতি বা ইরানিদের সম্মান করে না—এমন ‘শত্রু ও আগ্রাসনকারীদের’ বিরুদ্ধেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তার ভাষায়, এসব অভিযান আত্মরক্ষামূলক এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অংশ।
আরও পড়ুন:
প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই পোস্টের সঙ্গে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি মার্কিন সামরিক বিমানের ছবিও যুক্ত করা হয়। এতে করে চলমান উত্তেজনার মাত্রা ও প্রতীকী বার্তা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং দেশটিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের পক্ষ থেকে সরাসরি মার্কিন সেনা সরানোর আহ্বান অঞ্চলটিতে নতুন করে কূটনৈতিক চাপ ও উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।




