মার্কিন সেন্টকম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক পোস্টে জানিয়েছে, জাহাজটি গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) ওই অঞ্চলে পৌঁছায়। সাধারণত এটি জাপানে মোতায়েন থাকে। এ জাহাজটি প্রায় ৩ হাজার ৫০০ মেরিন ও নৌসদস্যের একটি বাহিনীর প্রধান হিসেবে কাজ করে।
সেন্টকম আরও জানায়, এ বাহিনীতে পরিবহন ও আক্রমণাত্মক যুদ্ধবিমান ছাড়াও উভচর হামলা পরিচালনা ও কৌশলগত অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রয়েছে।
আরও পড়ুন:
সেন্টকমের প্রকাশিত ছবিতে জাহাজটির ডেকে একাধিক সিহক হেলিকপ্টার এবং ওসপ্রে বিমান দেখা গেছে, যা সাধারণত সেনা পরিবহনে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া, একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘স্থল সেনা মোতায়েন ছাড়াই ইরানে নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারে ওয়াশিংটন।’
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক সপ্তাহ ধরে এ বিষয়ে অস্পষ্টতা বজায় রেখেছেন এবং বেশ কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে, তিনি শিগগিরই মধ্যপ্রাচ্যে অন্তত ১০ হাজার সৈন্য পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন।





