যুদ্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে খোদ ইসরাইলিরাও। কারণ অন্য দেশে চালানো আগ্রাসনের জেরে পাল্টা আক্রমণে ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের শিকার হচ্ছে তারাও। তাই ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইলি যুদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ গোটা ইসরাইলে। তেল আবিব থেকে জেরুজালেম সবখানেই স্লোগানে স্লোগানে যুদ্ধ বন্ধের দাবি।
হাজার হাজার ইসরাইলির বিক্ষোভ দমনে ধরপাকড় ও দমন-পীড়ন চালাতে দেখা গেছে নেতানিয়াহু প্রশাসনকে। এ অবস্থায় যুদ্ধ বন্ধের দাবির পাশাপাশি নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধেও ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে ইসরাইলবাসী। ডাক এসেছে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করার। জানিয়েছে, মার্কিন-ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদ।
ইসরাইলের একজন বাসিন্দা বলেন, ‘ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা অন্যায় ও অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ যুদ্ধে হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং লাখ লাখ মানুষ আহত হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
ধরপাকড় ও দমন পীড়নেও বিক্ষোভের ঢেউ থামাতে না পেরে প্রতিরক্ষা নীতির আওতায় নতুন নির্দেশ জারি করেছে ইসরাইল। এ আওতায় খোলা জায়গায় ৫০ জনের বেশি মানুষকে জড়ো হয়ে সমাবেশ করার ওপর দেয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।
এদিকে ইয়েমেনেও হয়েছে মার্কিন-ইসরাইল বিরোধী বিক্ষোভ। ইরান ও লেবাননের প্রতি সংহতি জানিয়ে এই বিক্ষোভ করেছেন রাজধানী সানাসহ ১০টির বেশি প্রদেশের ১০ লাখের বেশি মানুষ।
ইয়েমেনের একজন বাসিন্দা বলেন, ‘ইরান পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী স্বৈরশাসক যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মোকাবিলা করছে। আমরা তাদের সঙ্গে আছি এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর সঙ্গেও আছি।’
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইলি যুদ্ধের প্রতিবাদে গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে বিক্ষোভ করেছেন বহু মানুষ। দেশটির বামপন্থী দলগুলোর আহ্বানে এথেন্সে থাকা মার্কিন দূতাবাসের করেছে বিক্ষোভ। হাতে দেখা গেছে ফিলিস্তিন, ইরান ও ভেনেজুয়েলার পতাকা। জোর দাবি তুলেছে যুদ্ধ বন্ধের।





