গতকাল (শনিবার, ২১ মার্চ) এক প্রতিক্রিয়ায় সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণেই ট্রাম্প চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছেন।’
চার সপ্তাহ ধরে চলা ইরান ও ইসরাইল-সম্পৃক্ত সামরিক অভিযানের তীব্র সমালোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন মারফি। এ সংঘাতের গতিপ্রকৃতি ও সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে।
আরও পড়ুন:
মারফি এই যুদ্ধকে ‘ট্রাম্পের উন্মাদ যুদ্ধ’ বলে আখ্যায়িত করে সতর্ক করেছেন, এর প্রভাব এরইমধ্যে জ্বালানি বাজারে পড়েছে। তার মতে, তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন অর্থনীতিতে সরাসরি চাপ তৈরি হয়েছে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এর আগে, ইরান গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়ার পর উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। জবাবে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘প্রণালি খুলে না দিলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দেয়া হবে।’
মারফির দাবি, এ সংঘাত শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং এর প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।





