নদী ও বিলসহ নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় রয়েছে শতাধিক জলাশয়। প্রতি বছর জলাশয়ের পানি কমে আসলে নদীর তীরে শুঁটকি উৎপাদন করেন অনেকে। তবে এ বছর অসময়ে বন্যা হওয়ায় মাছ পাওয়া গেছে কম। যে কারণে ব্যহত হয়েছে শুঁটকি উৎপাদন।
আত্রাই উপজেলার ভরতেঁতুলিয়া গ্রামের ওসমান শেখ ২০ বছর ধরে শুঁটকি ব্যবসার সাথে জড়িত। এ বছর কাঁচা মাছ কিনতে হয়েছে বেশি দামে। তাই শুঁটকি বিক্রি করে কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।
ওসমান শেখ বলেন, ‘মাছের আমদানি কম। আগের মতো কেনা-বেচা নাই। আমার দরকার পঞ্চাশ মণ কিন্তু আমি পাচ্ছি দশ মণ।’
আরও পড়ুন:
দেশিয় মাছের সংকটের পাশাপাশি আড়তদারদের সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ শুঁটকি ব্যবসায়ীদের।
ব্যবসায়ীরা জানান, ব্যবসায় আগের মতো লাভ হয় না। আর মাছের আমদানি না থাকায় সমস্যায়ও পরতে হয়।
আত্রাইয়ে ২৬ জন ব্যবসায়ী শুঁটকি উৎপাদনের সাথে জড়িত। এ খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় শতাধিক শ্রমিকের। চলতি মৌসুমে শুঁটকি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২০০ টন। যার বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা।
নওগাঁ আত্রাই সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, ‘আত্রাই উপজেলাটি মৎস্য সম্পদে ভরপুর। আশা করা যায় এখান থেকে পর্যাপ্ত শুঁটকি উৎপাদন করতে পারবো।’
শুঁটকির বাজার সম্প্রসারণ ও ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা গেলে ব্যবসায়ীরা স্থানীয় অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।





