মূহুর্তেই সেটি ছড়িয়ে পড়ে গোটা দুনিয়ায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় ওঠে। ইরান সরকারের সমর্থকরা নারী ফুটবলারদের বিশ্বাসঘাতক উপাধি দেন। তাতে দেশটিতে এসব ফুটবলারদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। উল্টোদিকে রেজা শাহ পাহলভী ফুটবলারদের অকুণ্ঠ সমর্থন দেন।
এশিয়ান কাপে নিজেদের শেষ ম্যাচের পর স্টেডিয়ামের বাইরে তৈরি হয় এক ব্যতিক্রমী দৃশ্যের। অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত ইরানিরা ফুটবলারদের বাস ঘিরে ধরেন। ড্রাম বাজিয়ে স্লোগান ধরেন 'সেভ আওয়ার গার্লস'। ইরানে যেন মেয়েদেরকে ফেরত পাঠানো না হয় তার দাবি তুলেন প্রবাসীরা।
আরও পড়ুন:
ফুটবলাররাও চাচ্ছিলেন ইরানে আর না ফিরতে। সোমবার রাতে টিম হোটেল থেকে গোপনে বের হয়ে অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় চান দলের অধিনায়ক জাহরা ঘানবারিসহ ৫ ফুটবলার। তাৎক্ষণিকভাবে সেটির অনুমোদনও দেয় অজি সরকার। তাদেরকে স্বাগত জানান অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, ‘দলের পাঁচজন খেলোয়ার সহায়তা চেয়েছিলো এবং তারা সেই সহায়তা পেয়েছে। এখন তারা নিরাপদ স্থানে রয়েছে। আমি তাকে মন্ত্রীর বিষয়েও জানিয়েছি। এই বিষয়ে তিনি সরাসরি ও সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন।’
তবে দলের বাকি ২১ ফুটবলার এখনও সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন। যদিও অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানিয়েছেন, বাকিদেরও থাকার বিষয়ে কোনো আপত্তি নেই দেশটির।
টনি বার্ক বলেন, ‘প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেয়াটা কতটা কঠিন কল্পনাও করা যায় না। দলের বাকিদের জন্য আশ্রয়ের সুযোগ খোলা আছে।’
ইরানের ফুটবলারদেরকে আশ্রয় দেয়ায় অস্ট্রেলিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।





