আজ (বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই) বিকেলে ফেনীর সোনাগাজী পৌর চত্বরে আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’র সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এনসিপি ঘোষিত দেশব্যাপী ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
গণভোট বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে আয়োজিত এ সমাবেশে সংগঠনের জেলা আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম সৈকতের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। সমাবেশের আগে দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা সোনাগাজী বাজারে একটি পদযাত্রা করেন।
বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে হাসনাত আবদুল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন, ‘বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে বিদ্যুতের পরিবর্তে মানুষের হাতে হারিকেন আর মোমবাতি ধরিয়ে দিয়েছে। এখন আর বিদ্যুৎ যায় না, মাঝে মাঝে আসে। কথা ছিলো সরকার চাকরি দেবে, কিন্তু উল্টো মাদক আর জুয়া বেড়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে প্রমাণ নিয়ে আসেন। এক টাকার দুর্নীতিও কেউ প্রমাণ করতে পারবে না। আমরা এই রাজনীতিকে দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদদের জন্য কঠিন করতে এসেছি।’
আরও পড়ুন:
সমাবেশে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ বলেন, ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নাগরিক পার্টি ঘরে ফিরবে না। আমরা আশা করবো বিএনপি সরকারের বোধোদয় হবে। দিল্লির সরকার এই বাংলার মানুষের বুকে গুলি চালায়, তার বিরুদ্ধে জনগণকে সাথে নিয়ে গণভোটের দাবি আদায় করা হবে।’
সমাবেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ আগামী সোনাগাজী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সোনাগাজী উপজেলা সদস্য সচিব সুজা উদ-দৌলাকে পরিচয় করিয়ে দেন।
এর আগে, আজ দুপুরে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার আনন্দপুর ইউনিয়নের হাসানপুর গ্রামে এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য আহমেদ করিম চৌধুরী আমজাদের বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজ শেষে নেতারা ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট শহিদ হওয়া ফুলগাজীর ইশতিয়াক আহমেদ শ্রাবণের কবর জিয়ারত করেন।
এরপর বিকেলে সোনাগাজী উপজেলায় জুলাই শহিদ আব্দুল গনি বোরহানের কবর জিয়ারত ও তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শহিদ পরিবারের খোঁজখবর নেন হাসনাতসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবু বকর মজুমদার, যুবশক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় সদস্য মহি উদ্দিন রনিসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।




