এর আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হয়ে প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ সালের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তিনি সরকারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় হন এবং ধীরে ধীরে বিএনপির প্রধান আন্দোলননির্ভর নেতৃত্বের একজন হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। এবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন তিনি।
মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন যারা
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, আবু জাফর জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আমিনুর রশিদ, আফরোজা রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, কায়সার সাখাওয়াত হোসেন, জাকির আলম, শেখ রবিউল আলম।
আরও পড়ুন:
প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন যারা
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাত্ররাজনীতি থেকে মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা, শিক্ষকতা পেশা হয়ে জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দল পরিচালনার অভিজ্ঞতায় তার দীর্ঘ পথচলা গড়ে উঠেছে। এবারের নির্বাচনে জয়ী হয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন, যা তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে।





