এর আগে গত ৮ মার্চ নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে এমডি ফারহান লঞ্চে করে ঢাকায় যাওয়ার পথে ভিকারুননেসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই ঢাকার কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করে। ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
এদিকে ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আজ রাত ৮টায় হাতিয়ার ওছখালিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে এনসিপির নেতাকর্মীরা। একইসময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরাও সেখানে উপস্থিত হলে উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আরও পড়ুন:
হাতিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ ফাহিম উদ্দিন বলেন, ‘লঞ্চে যারা ধর্ষণ করেছে তারা এনসিপি সমর্থক। ধর্ষণের প্রতিবাদে আমরা একটা মিছিল বের করলে রাস্তার মোড়ে এনসিপি নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে তারা বিএনপির বিরুদ্ধে উল্টো বক্তব্য ও স্লোগান দেয়। তখন সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিএনপির নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে থানার সামনে গিয়ে ফেরত আসলে এমসিপি নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর অতর্কিতভাবে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে আমাদের উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. ইসমাইল হোসেন ইলিয়াস, পৌরসভা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম দুখুসহ আরো কয়েকজন আহত হয়।’
হাতিয়া উপজেলা জাতীয় যুবশক্তির নেতা মো. ইউসুফ বলেন, ‘আমাদের বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপি নেতাকর্মীরা হামলা করলে আমাদের পাঁচজন আহত হয়।’
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এনসিপি নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করলে বিএনপি নেতাকর্মীরাও অন্য দিক থেকে একটি মিছিল নিয়ে আসে। উভয়পক্ষ মুখোমুখি হয়ে হাতাহাতি হয়। বড় কোনো সংঘর্ষ ঘটেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’





