মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশের মানুষ যে পরিবর্তন চায়, তা হলো উন্নয়নের পরিবর্তন, অবস্থার পরিবর্তন, রাজনীতির গণতান্ত্রিকীকরণের পরিবর্তন এবং অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণে পরিবর্তন। এ নির্বাচনে উদারপন্থি গণতন্ত্রেরই বিজয় হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এ নির্বাচন প্রমাণ করেছে যে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যেমন ঐক্যবদ্ধ, তেমনিভাবে দেশের ১৮ কোটি মানুষও আজ ঐক্যবদ্ধ।’
বিগত দিনের দীর্ঘ আন্দোলন ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিএনপির প্রায় ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, ২০ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা, ১ হাজার ৭০০ নেতাকর্মীকে গুম এবং জুলাই-আগস্টে প্রায় দুই হাজার ছাত্র, নারী ও শিশুর রক্তের বিনিময়ে আমরা আজ একটি গণতান্ত্রিক অধ্যায়ে ফিরে যাওয়ার প্রধান ফটক অতিক্রম করতে চলেছি।’
আরও পড়ুন:
এ সময় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যিনি আর কয়েকদিনের মধ্যেই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিতে চলেছেন, সেই তরুণ নেতা বাংলাদেশের মানুষকে একটি পরিবর্তিত, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছেন। আসুন, আমরা আমাদের এই তরুণ নেতা তারেক রহমানের হাতকে আরও শক্তিশালী করি। বাংলাদেশের যে নতুন সূর্য উদিত হয়েছে সেই সূর্যের আলোয় আলোকিত হয়ে সত্যিকার অর্থেই একটি শান্তির, ভালোবাসার ও গণতন্ত্রের বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলি।’
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে তিনি উপস্থিত দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও স্বাগত জানান।
সংবাদ সম্মেলনে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ চৌধুরী, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।





