নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির পাঠানো নোটিশে উল্লেখ করা হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার হুজরাপুর উদয়ন মোড় এলাকায় অবস্থিত জেলা কেন্দ্রীয় বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের মালিকানাধীন জমিতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জোরপূর্বক একটি নির্বাচনি অফিস নির্মাণ করা হয়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহায়তায় তদন্ত চালিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন:
তদন্ত চলাকালে জামায়াত প্রার্থীর সমর্থক ও দলীয় কর্মীরা তাদের ভুল স্বীকার করে দ্রুত অফিসটি সরিয়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তবে পরবর্তীতে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় বিষয়টি নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হয়।
নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান ও সিভিল জজ মো. মেহেদী হাসান স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচনি আচরণবিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। কেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ করা হবে না—সে বিষয়ে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১২টায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।





