সারজিস আলম বলেন, ‘বিএনপি খালেদা জিয়ার শোকবার্তার নামে যে লিফলেটটি ঘরে ঘরে নিয়ে গেছে। এটা আলটিমেটলি ঘরে ঘরে সিমপ্যাথি নেয়া এবং ভোট চাওয়ার আরেকটি উপায়। আমরা এটা নিয়ে কোনো অভিযোগ করিনি।’
তিনি বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি) তারেক রহমান দলীয় প্রধান হিসেবে একটা কার্ড দেখাচ্ছেন কড়াইল বস্তির একটি প্রোগ্রামে। বলছেন, এটা দিয়ে এই হবে, সেই হবে, যেটা নির্বাচন আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি কাউকে প্রলুব্ধ করে ভোট চাইতে পারেন না। একজন দলীয় প্রধান যদি তার জায়গা থেকে এভাবে একটা কার্ড দেখায় যার কোনো অস্তিত্ব নেই, তারা সরকার গঠন করতে পারবে কি না এটার কোনো নিশ্চয়তা নাই, সেখানে তিনি এভাবে মানুষকে প্রলুব্ধ করে ভোট চাইতে পারেন না। তারা এভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করার পরেও আমরা এখন পর্যন্ত অফিশিয়ালি কোনো অভিযোগ দেইনি।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির স্থানীয়, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলার নেতাকর্মীরা ভোটার ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের হুমকি ধামকি দিচ্ছে। আমরা বলতে চাই, ভয়ের রাজনীতি আর এ বাংলাদেশে চলবে না। যারা এ দমন-পীড়নের রাজনীতি করতে চাইবে, তার নজির এক বছর চার মাস আগে বাংলাদেশে স্থাপন হয়েছে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে ভোটারদের কাছে ভোট চাইতে পারি। কিন্তু দিতে হবে, না দিলে দেখে নিবো, এ ধরনের কথা আমরা কোনোভাবে প্রত্যাশা করি না। আমরা আজকে মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েছি। প্রয়োজনে লিখিত অভিযোগ দেবো কিন্তু এটা কোনোভাবে মেনে নেবো না।’
এনসিপির এ নেতা বলেন, ‘ছোট খাটো রাজনৈতিক দলের আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে আমরা সেভাবে অভিযোগ দেইনি। আমরা মনে করি, একটু এদিক ওদিক হতে পারে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে সুষ্ঠু প্রক্রিয়ায় কাজ করে যাচ্ছি। ভোটার, আমাদের কর্মী, সমর্থক ও দলীয় নেতাকর্মী এবং ১০ দলের কাউকে যদি ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয় তাহলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। নাহলে আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। এ বাংলাদেশ আগের বাংলাদেশ না। একটা রাজনৈতিক দল দমন পীড়ন করবে আর বাকিরা নাটক দেখবে? নাটক দেখার সময় আর বাংলাদেশে নাই। অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে বলে দিচ্ছি আমরা এখন পর্যন্ত কাউকে ধমক দেইনি, দেবো না। এটা আমাদের রাজনৈতিক ক্যারেক্টারে নাই।’
আরও পড়ুন:
বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দিয়ে জনগণকে অক্ষম করতে চায় বলে অভিযোগ করেন সারজিস আলম।
তিনি বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে যে কার্ডের কথা বলা হচ্ছে, এ কার্ড দিয়ে জনগণকে তেল, চাল, ডাল দেবে। তারা কি জনগণকে অক্ষম করতে চায়। আমরা একটা স্বচ্ছ নির্বাচন চাই এজন্য আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’
এদিকে সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অন্য প্রার্থীরাও।





