আপিল জমা দেয়ার পর তাসনিম জারা সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাত্র দেড় দিনের মাথায় প্রায় ৫ হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের সমর্থনে স্বাক্ষর দিয়েছেন, অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন। নিজেরাই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছেন। যারা স্বাক্ষর দিয়েছেন, তারা চান আমি নির্বাচনে অংশ নিই। তাদের প্রতি সম্মান জানিয়েই আমরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।’
এসময় তার আইনজীবী আরমান হোসেন জানান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৪ (৫) এবং নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা ২০০৮-এর বিধি ৫ অনুযায়ী তারা এ আপিল দায়ের করেছেন।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘আইনগতভাবে এ আপিলে আমাদের জয়ী হওয়ার শতভাগ সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা আশা করছি, আপিলের মাধ্যমে ডা. তাসনিম জারা পুনরায় জনগণের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।’
আইনজীবী আরমান হোসেন বলেন, ‘স্বাক্ষর সংগ্রহের সময় নির্বাচন কমিশনের সার্ভার কাজ না করায় ভোটার এলাকা যাচাই করার সুযোগ ছিল না। তাছাড়া যে ভোটারকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তার জাতীয় পরিচয়পত্রে ভোটার এলাকা হিসেবে ঢাকা-৯ আসনের কথাই উল্লেখ আছে। যেহেতু এটা আমাদের ভেরিফাই করার সুযোগ ছিল না, সে জায়গা থেকে আমাদের এই সমস্যাটির সম্মুখীন হতে হয়েছে। আমরা আশাবাদী, আপিলের শুনানিতে দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হবে এবং লিগ্যালি আমরা এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য পারমিজিবল হবো।’
এর আগে, শনিবার (৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাসনিম জারার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, তাসনিম জারা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন। এর আগে এনসিপি থেকে নির্বাচন করার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন।





