দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি

দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি | এখন
0

মাগুরাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবাদ ও ধর্ষকের বিচার নিশ্চিতে বিক্ষোভ করেছে জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ময়মনসিংহের ত্রিশালে কাজী নজরুল ইসলাম ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসময় ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান তারা।

শনিবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা চত্বরে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে একই জায়গায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তারা। এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, কোনো ধর্ষণের ঘটনায় সরকার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারেনি। এসময়, সরকারকে উদ্দেশ্য করে শিক্ষার্থীরা বলেন, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতার শামিল। অতিদ্রুত ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানান তারা।

ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণের প্রতিবাদ ও ধর্ষণকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। শনিবার রাত আড়াইটার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এছাড়াও, একই দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল হয়। রাতে জব্বারের মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরাও দেশব্যাপী নারীর ওপর সহিংসতার প্রতিবাদ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। শনিবার রাত আড়াইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালন করে তারা। মিছিলটি ছাত্রী হোস্টেল থেকে বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে হয়ে গোল চত্বরে গিয়ে মিলিত হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা দেশের নারীসহ জনসাধারণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান।

একই দাবিতে, শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকা থেকে একটি মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটক সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গিয়ে অবস্থান নেয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা রাত আড়াইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে সড়কের দুই লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

ইএ