মূলধন খরায় ভুগছে ব্যাংক, বিগত সরকারের আমলে বিদেশে পাচার হয়েছে টাকা, টান পড়েছে রপ্তানিতে। এমন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়েছে নতুন সরকার। সরকার ক্ষমতা নেয়ার পরই যুক্তরাষ্ট্র ইরান যুদ্ধে অস্থির তেলের বাজার। যার প্রভাব পড়েছে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে।
এমন পরিস্থিতিতে অর্থনীতি ঘুরে দাড় করানো বড় চ্যালেঞ্জ সরকারের। ভঙ্গুর অর্থনীতির টানা পোড়েন অবস্থা কীভাবে ঠিক করবেন সে হিসেব কষতেই বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর বসন্তকালীন সভায় যোগ দিয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীসহ ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
প্রথম দিনেই বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে ৪ দফা মিটিং হয় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের। সেখানে উঠে আসে অর্থনীতির বিভিন্ন দিক। ঋণ কিস্তি ছাড়ের বিষয়।
আরও পড়ুন:
বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী জানায়, নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। ভেঙে পড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে এমন আশ্বাস দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ভালো কিছু অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের জন্য।’
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘পুরো অর্থনীতিটাই একটা ঘাটতি মধ্যে আছে। তার ওপরে যোগ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ। আবার যুক্ত হয়েছে ভ্যাট। এই সব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং বিশ্বব্যাংক আমাদের সঙ্গে একযোগে সমস্যা সমাধানে কাজ করবে।’
সার্বিক আলোচনা সফল হয়েছে এমন দাবি করে অর্থমন্ত্রী জানান, অর্থনীতির ঘাটতি পূরণে সফল হবে সরকার। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির যে অবস্থা তা সবার কাছে পরিষ্কার। বিশ্বব্যাংক খুবি পজিটিভ আমাদের বিষয়ে এক সঙ্গে কাজ করার জন্য।’
চিন্তা না করে দেশের মানুষদের অপেক্ষা করার পরামর্শ প্রতিনিধি দলের।





