রাজবাড়ী জেলার এসপি মোহাম্মদ মঞ্জুর মোরশেদ জানিয়েছেন, ‘বাসটার অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। বাসের ওপরের অংশ ৫০ ফুট পানির নীচে আছে এখন। আর নীচের অংশ আরও ১০ ফুট নীচে।’
তিনি বলেন, ‘বাসের এক পাশে রশি লাগানো হয়েছে। আরেক পাশে রশি লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এরপর বাসটিকে টেনে তোলা হবে। এখন এখানে প্রতিকূল আবহাওয়া, তাই উদ্ধার কাজে সমস্যা হচ্ছে।’
মঞ্জুর মোরশেদ এও জানান, বাসটি ডুবে যাওয়ার সময় ৬-৭ জন সাঁতরে পার হয়ে গিয়েছিলো। ধারণা করা হচ্ছে তারা বেঁচে গেছেন। তবে সে সময় আরও চারজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের হাসপাতালে নেয়া হলে দুইজন হাসপাতালেই মারা গেছেন। আরেকজন চিকিৎসাধীন আছেন। এদের তিনজনই নারী।
আরেকজন উদ্ধারকৃত প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
এদিকে, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিবহনের ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন জানান, ডুবে যাওয়া বাসটিতে নারী-শিশুসহ প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিল।
বিকেলে কী ঘটেছিলো জানতে চাইলে তিনি জানান, বাসটি কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলো। বাসটি তিন নম্বর ঘাটে ফেরির জন্য অপেক্ষা করছিলো। কিন্তু সোয়া পাঁচটার দিকে ‘হাসনা হেনা’ নামের একটি ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি এসে জোরে পন্টুনে আঘাত করে। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
উল্লেখ্য, আজ রাত পৌনে ১০টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ডিউটি অফিসার রাকিবুল হাসান বলেন, ‘ফরিদপুর ও আরিচা থেকে ফায়ার সার্ভিসের দু'টো ডুবুরি ইউনিট উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে এবং ঢাকার সিদ্দিকবাজার থেকে আরও দু'টো ডুবুরি ইউনিট দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের দিকে যাচ্ছে।’—তথ্যসূত্র বিবিসি বাংলা





