অকটেন ও পেট্রোল বিক্রি নিয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা

জ্বালানি তেল
জ্বালানি তেল | ছবি: এখন টিভি
0

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত (Middle East Conflict) এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের (Global Energy Crisis) প্রেক্ষাপটে দেশে অকটেন ও পেট্রোল বিক্রি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিভাগীয় শহরগুলোতে জ্বালানি তেলের (অকটেন ও পেট্রোল) গড় বিক্রির পরিমাণ কমানোর জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

বিপিসির নতুন নির্দেশনা (BPC's New Directive)

আজ (বুধবার, ১১ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (Bangladesh Petroleum Corporation - BPC) এর সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং দেশে তেলের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী:

বিভাগীয় শহরগুলোতে জ্বালানি তেলের গড় বিক্রয় ২৫ শতাংশ হ্রাসের পরিবর্তে এখন থেকে ১৫ শতাংশ হ্রাস (15% reduction in sales) করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে (Filling Station) নতুন নির্ধারিত বরাদ্দ চার্ট অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ করা হবে।

কেন এই সিদ্ধান্ত? (Reason Behind the Decision)

বিপিসি জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেল সরবরাহ (Fuel Supply) বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দেশের বাজারে তেলের মজুত ও সরবরাহ সমুন্নত রাখতেই এই সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। বিপিসির অধীনস্থ বিপণন কোম্পানিগুলোর ডিপো সুপার, বিক্রয় কর্মকর্তা এবং ডিলারদের (Dealers/Agents) এই হ্রাসকৃত বরাদ্দ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:

একনজরে অকটেন ও পেট্রোল বিক্রির নতুন নির্দেশনা (মার্চ ২০২৬)

বিষয় (Category) বিস্তারিত তথ্য (Details)
প্রধান নির্দেশক বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (BPC)।
কার্যকর এলাকা দেশের সকল বিভাগীয় শহর (Divisional Cities)।
বর্তমান বিক্রয় হ্রাসের হার গড় বিক্রয় থেকে ১৫ শতাংশ (15%) কমানো হয়েছে।
আগের হ্রাসের হার ২৫ শতাংশ (25%)।
বরাদ্দের পদ্ধতি ফিলিং স্টেশন প্রতি নির্ধারিত চার্ট অনুযায়ী সরবরাহ।
প্রধান কারণ মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি।
তদারককারী কর্তৃপক্ষ ডিপো সুপার, বিক্রয় কর্মকর্তা এবং ডিলার/এজেন্ট।

এসআর