
ময়মনসিংহে ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘলাইন; মজুত শেষ অনেক পাম্পে
ময়মনসিংহের পেট্রোল পাম্পগুলোতে অস্থিরতা কমছে না। আজ জ্বালানি তেল নিতে পাম্পগুলোতে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন। কোনো পাম্পে মোটরসাইকেলে ২০০ টাকা ও কোথাও কোথাও ৫০০ টাকার পেট্রোল-অকটেন দেয়া হচ্ছে। প্রাইভেট-কারে দেয়া হচ্ছে ২ হাজার টাকার।

চুয়াডাঙ্গায় ১ এপ্রিল থেকে ‘ফুয়েল কার্ড’ বাধ্যতামূলক: যেভাবে পাবেন এই কার্ড
জ্বালানি তেলের (Fuel oil) সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং কালোবাজারি রোধে দেশের প্রথম জেলা হিসেবে চুয়াডাঙ্গায় চালু হচ্ছে ‘ফুয়েল কার্ড’ (Fuel Card system)। আজ (রোববার, ২৯ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান। আগামী ১ এপ্রিল থেকে জেলার কোনো পাম্পেই কার্ড ছাড়া যানবাহনগুলোতে তেল মিলবে না।

আসছে ‘ফুয়েল কার্ড’: মিলবে যেসব সুবিধা, আবেদন করতে যা যা লাগবে
রাজধানীর বেশিরভাগ পেট্রোল পাম্পে (Petrol pumps) জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যেখানে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং তেলের অপচয় ও মজুত রোধে সরকার সব ধরনের যানবাহনের জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ (Fuel Card) চালুর পরিকল্পনা করছে। জ্বালানি বিভাগ (Energy Division) ইতোমধ্যে এই বিশেষ কার্ড নিয়ে কাজ শুরু করেছে।

ফুরিয়ে আসছে অকটেন ও পেট্রোলের মজুত, কতদিন চলবে?
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট যুদ্ধ পরিস্থিতির (War situation) নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে। আন্তর্জাতিক সরবরাহ চেইন বিঘ্নিত হওয়ায় এবং বিদেশি শোধনাগারগুলো সময়মতো তেল দিতে না পারায় দেশের জ্বালানি তেলের মজুত (Fuel stock) আশঙ্কাজনক হারে কমে আসছে। বিশেষ করে অকটেন ও পেট্রোলের মজুত এখন মাত্র কয়েক দিনের।

দেশে মজুত ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন কতদিন চলবে? জানা গেল
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির (Middle East War Crisis) প্রভাবে বাংলাদেশে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে জ্বালানিবাহী জাহাজ (Oil Tankers) না পৌঁছানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার ফলে এপ্রিলে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। তবে সরকার বলছে, পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

অকটেন ও পেট্রোল বিক্রি নিয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত (Middle East Conflict) এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের (Global Energy Crisis) প্রেক্ষাপটে দেশে অকটেন ও পেট্রোল বিক্রি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিভাগীয় শহরগুলোতে জ্বালানি তেলের (অকটেন ও পেট্রোল) গড় বিক্রির পরিমাণ কমানোর জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

দেশের কোথায় কোন পেট্রোল পাম্পে তেল আছে জানাবে ‘তেল কই’ অ্যাপ
ইরান-ইসরায়েল ও আমেরিকার চলমান তেলের যুদ্ধ (Oil War) নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। তেলের সরবরাহ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বা ‘প্যানিক বায়িং’ (Panic Buying) তৈরি হওয়ায় দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে (Petrol Pumps) দীর্ঘ লাইন ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে। এই ভোগান্তি কমাতে এবং রিয়েল-টাইম (Real-time) তথ্য দিতে সজিব খান নামের এক তরুণ প্রকৌশলী তৈরি করেছেন অভিনব ওয়েব অ্যাপ ‘তেল কই’ (Tel Koi)।

বন্দরে ভিড়ছে তেলের জাহাজ, মার্চ মাসজুড়ে মিলবে পর্যাপ্ত পেট্রোল-অকটেন
জ্বালানিবাহী নতুন জাহাজ আসায় মজুত বেড়েছে তেল-গ্যাসের। অকটেন, পেট্রোলের যোগান আছে পুরো মার্চ মাসের। ১৪ মার্চের মধ্যে বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে আরও কয়েকটি জ্বালানিবাহী জাহাজের। আমদানি প্রক্রিয়া সচল রাখতে এলসি খোলা নিয়মিত আছে বলে জানায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন। এদিকে, জ্বালানি নিয়ে ঘাটতি নেই জানিয়ে সাশ্রয়ী হবার পরামর্শ দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী।