ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মশক নিধন কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার নির্দেশনায় নগরজুড়ে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার থেকে মশক নিধন ওষুধ প্রয়োগের নতুন সময়সূচি কার্যকর হয়েছে।
ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক পত্রে জানানো হয়, সকালে মশার লার্ভা ধ্বংসে লার্ভিসাইডিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এছাড়া বিকেল ও সন্ধ্যার পাশাপাশি মশার ‘পিক ফ্লাইট অ্যান্ড অ্যাক্টিভিটি টাইম’ অনুযায়ী অঞ্চলভেদে রাতেও ফগিং কার্যক্রম চালানো হবে। ফলে অঞ্চলভেদে দিনে তিনবার মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
আরও পড়ুন:
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও মশক নিধন কার্যক্রম চলমান থাকবে। সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সরেজমিনে টিমগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এরইমধ্যে কিউআরটি টিমের মাধ্যমে হটস্পটগুলোতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা এবং কিউলেক্স মশার জন্মস্থান—নালা-নর্দমা, স্যুয়ারেজ লাইন, জলাশয় ও খাল-বিলের হালনাগাদ তালিকা প্রস্তুত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া শুরু হয়েছে।
ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ডিএনসিসি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী মশক নিধন কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে, নাগরিকদের নিজ নিজ বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং কোথাও পানি জমতে না দেয়া—এভাবে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সক্রিয় সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে ডিএনসিসি।





