
রাজধানীতে ম্যালেরিয়া ছড়ানোর শঙ্কা; তিন মাসেই আক্রান্ত ৪৬০
২০৩০ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়া নির্মূলের লক্ষ্য থাকলেও নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে এর সংক্রমণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছর প্রথম তিন মাসে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ৪৬০ জন। গেলো বছর আক্রান্ত ছিলো ১০ হাজারের বেশি, মৃত্যু হয় ১৬ জনের। জীবাণুবাহী অ্যানোফিলিসকে পার্বত্য অঞ্চলের মশা মনে করা হলেও তা খোদ রাজধানীতে দেখা যাচ্ছে। রাজধানীতে এ রোগের বিস্তার শুরু হলে নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে।

মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ জনজীবন; সাভারে বাড়ছে ডেঙ্গুর ঝুঁকি
সাভারে যেন নতুন আতঙ্কের নাম মশা। দিন-রাতের ব্যবধান না মেনেই বাড়ছে মশার উপদ্রব। এতে একদিকে যেমন বাড়ছে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার ঝুঁকি, অন্যদিকে দুর্ভোগে পড়েছেন সাভারবাসী। এ অবস্থা মশক নিধনে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তাদের।

মাসের ব্যবধানে মশার ঘনত্ব বেড়েছে ৪০ শতাংশ, দুর্ভোগে জনজীবন
রাজধানীতে মশার প্রকোপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। দিনের বেলায়ও মশার কামড় থেকে রেহাই মিলছে না, যা রাতে আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, গত এক মাসে মশার ঘনত্ব ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যা নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নিয়মিতই চালানো হয় ফগিং কার্যক্রম। তবে, এতে মশার উপদ্রব কমছে না বলে অভিযোগ সাধারণ মানুষের।

মশা-মাছির যম এই ৬টি গাছ: কয়েল ছাড়াই ঘর রাখুন নিরাপদ ও সতেজ
গরম পড়ার সাথে সাথেই রাজধানীসহ সারাদেশে মশা-মাছির উপদ্রব (Mosquito and Fly Infestation) ভয়াবহভাবে বেড়ে গেছে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আমরা অনেকেই কয়েল বা কেমিক্যাল স্প্রে ব্যবহার করি, যা আমাদের ফুসফুস ও স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিশেষ করে শিশু ও শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য এটি দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকির কারণ। এই সমস্যার এক চমৎকার প্রাকৃতিক সমাধান (Natural Solution) হতে পারে নির্দিষ্ট কিছু ইনডোর প্ল্যান্ট বা ইনডোর গাছ।

ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকায় মশার আতঙ্ক; বাড়তি নজরদারির তাগিদ
ঈদ ঘিরে কিছুদিন পরই ঢাকা ছাড়তে শুরু করবে নগরবাসী। আর এই সময়েই বাসাবাড়ি এবং রাস্তায় জমে থাকা পানি আর আবর্জনা হয়ে উঠবে মশার অভয়ারণ্য, যা ছুটি শেষে ফেরা নগরবাসীর জন্য ভয়াবহ ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই সিটি করপোরেশনের বাড়তি নজরদারি আর ফেরার পর প্রত্যেকের ব্যক্তিগত সচেতনতাই হতে পারে একমাত্র সমাধান, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

মশা নিয়ন্ত্রণে দিনে ৩ বার ওষুধ প্রয়োগ করবে ডিএনসিসি
রাজধানীতে ক্রমবর্ধমান মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিন তিনবার মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। একই সঙ্গে কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে বিশেষ কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) গঠন করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার, ৩ মার্চ) ডিএনসিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মশার যন্ত্রণা থেকে নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
মশার যন্ত্রণা থেকে দ্রুত নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় মশার অসহ্য যন্ত্রণা থেকে নগরকে মুক্ত করতে সরকার নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি।

ফিটকিরি: প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক ও বহুমুখী ব্যবহারের প্রাচীন খনিজ
ফিটকিরি (Alum) একটি প্রাচীন খনিজ পদার্থ, যা পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের একটি স্ফটিক। এ খনিজ পানি পরিষ্কার; দাঁত, মুখ, ত্বকের যত্ন (ব্রণ, দাগ কমানো) এবং শেভিংয়ের পর রক্তপাত বন্ধ করাসহ নানা কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। এটি অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যাস্ট্রিনজেন্ট গুণসম্পন্ন হওয়ায় জীবাণু নাশক হিসেবে ও রক্তক্ষরণ বন্ধে বেশ সহায়ক। তবে এর অতিরিক্ত ব্যবহারে সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে।

ধানমন্ডিতে বিশেষ মশক নিধন অভিযান: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসির উদ্যোগ
রাজধানীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতির চাপ ও মশার উপদ্রব কমাতে অঞ্চল-১ এর আওতায় ধানমন্ডি এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান চালানো হয়েছে। আজ (শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এ মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করে।

ডেঙ্গুর হটস্পট বরগুনা; প্রকোপ ছড়াচ্ছে উপজেলাজুড়ে
ডেঙ্গুর হটস্পট বরগুনায় এবার ভয়াবহতা ছড়াচ্ছে উপজেলাতেও। প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। স্থানীয়রা বলছেন, মশা নিধন কার্যক্রমে প্রশাসনের উদাসীনতায় বাড়ছে সংক্রমণ। এদিকে, হাসপাতালে আইসিইউসহ উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগীরা।

ডেঙ্গু থামেনি, এবার কিউলেক্সের হানা: নগরজীবনে নতুন ঝুঁকি
শহরের জনজীবনে মশা একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে চিহ্নিত। ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া ও ফাইলেরিয়াসিসের মতো প্রাণঘাতী রোগের প্রধান বাহক হওয়ায় এর প্রভাব শুধু স্বাস্থ্যক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলছে। সঠিক সময়ে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে মশা নিয়ন্ত্রণ একটি কঠিন চ্যালেঞ্জে পরিণত হবে। প্রজননস্থল ধ্বংস ও প্রতিরোধমূলক উদ্যোগই এই সমস্যার মূল সমাধান।

পাখি বাঁচাতে ড্রোন দিয়ে বনে ছাড়া হচ্ছে মশা
হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে আকাশে উড়ছে ড্রোন, আর সেখান থেকে নামছে হাজার হাজার মশা। কিন্তু এসব মশা কারও ক্ষতি করছে না। বরং বনে-বনে ঘুরে পাখিদের জীবনরক্ষা করছে। বিপন্ন প্রজাতির পাখিদের বাঁচাতে বিজ্ঞানীদের এই অভিনব চেষ্টা যা ড্রোন, ব্যাকটেরিয়া, আর আধুনিক প্রযুক্তির মিশেলে প্রকৃতি বাঁচানোর এক সাহসী অভিযান।