বিদেশি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের মানুষের স্বার্থই সব থেকে আগে, তাদের স্বার্থের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রেখেই পররাষ্ট্র নীতি ঠিক করবো আমরা।’
এসময় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘কোনো একক দেশের প্রতি আনুগত্য নয়- পারস্পরিক সম্মান, সমতা এবং বিশ্বাসের ভিত্তিতেই ঠিক হবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি।’
আরও পড়ুন:
দলের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশ গঠনে নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। শত উসকানির মুখেও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে শান্ত থাকতে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনো অপশক্তি যেন নির্বাচনের পর কোনো অপ্রিতিকর পরিস্থিতি তৈরি না করে, সেজন্য বিজয় মিছিল করতে নিষেধ করা হয়েছে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে, কোনো বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। ন্যায়পরায়ণতা হবে আদর্শ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না করতে পারলে ব্যর্থ হবে দেশ।’
এ মুহূর্তে অর্থনৈতিক অবস্থা ঠিক করা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সব প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণ থেকে মুক্ত ও সুশাসন নিশ্চিত করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন তিনি।





