আজ (সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারণায় তিনি বলেন, ‘মোবাইল যেহেতু নিষিদ্ধ, তাই ভোটারদের বলবো সনি বা ক্যাননের মতো ক্যামেরা নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। অনৈতিক কিছু দেখলেই ভিডিও করবেন। নির্বাচন কমিশন এমন অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং শুরু হয়ে গেছে।’
এর আগে, গতকাল (রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি) ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহীদুল ইসলামের সই করা একটি চিঠি দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশ ইনচার্জ, আনসার, সাধারণ আনসার বা ভিডিপির ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দু’জন আনসার সদস্য মোবাইল ফোন রাখতে পারবেন।
আরও পড়ুন:
তবে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে এখনো ‘পুরোপুরি স্পষ্টতা নেই’ বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাসউদ। সোমবার এখন টিভিকে একান্ত ফোনালাপে তিনি বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞার আওতায় গণমাধ্যমকর্মীরা পড়লে কমিশনাররা বসে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’
এদিকে, মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ-সংক্রান্ত ইসির প্রজ্ঞাপন বাতিল না হলে আগামীকাল (মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন আবারও ‘জুলাইয়ের মতো অন্ধকার গলিপথে হাঁটছে’ এবং একটি পক্ষ পরাজয়ের আশঙ্কায় ভোট ছিনতাইয়ের পাঁয়তারা করছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যারা চোরাই পথে ক্ষমতায় যেতে চায়, তাদের হুঁশিয়ারি দিচ্ছি—কেউ যদি কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে, আমরা সেই পথ বন্ধ করে দেব। কিছু প্রশাসনের ব্যক্তি বিশেষ কিছু মানুষকে বিজয়ী করতে চায়। মানুষের রায় ছাড়া যদি কারচুপি করা হয়, দেশে আবারও জুলাই নেমে আসবে।’
তবে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা বারবার জুলাই চাই না।’





