প্রথমবার এশিয়ান কাপের মঞ্চে খেলে ইতিহাস গড়েছে আফঈদা-ঋতুপর্ণারা। কোচ পিটার বাটলারের লক্ষ্য ছিলো গোল হজম না করা। যদিও সেই লক্ষ্যে পুরোপুরি সফল হতে পারেনি বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার সিডনির কমব্যাঙ্ক স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের প্রায় পুরোটাই চীনের সাথে টক্কর দিয়ে খেলেছে মেয়েরা।
এশিয়ার সেরাদের আসরে শক্তিশালী চীনের সামনে মাথা নত করলেও, লড়াইয়ে কোনো ঘাটতি রাখেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়েছিল সাবেক চ্যাম্পিয়নরা।
বল দখল আর দ্রুত পাসিংয়ে চীন এগিয়ে থাকলেও, রক্ষণে দৃঢ় ছিল বাংলাদেশ। গোলরক্ষকের কয়েকটি দুর্দান্ত সেভ দলকে ম্যাচে রাখে অনেকটা সময়।
১৪ মিনিটে ঋতুপর্ণার শট থেকে প্রায় গোল পেয়েই যাচ্ছিলো বাংলাদেশ। তবে প্রতিপক্ষের গোলকিপারের দৃঢ়তায় গোল পায়নি মেয়েরা। উল্টো ম্যাচের ৪৪ ও ৪৬ মিনিটে দুই গোল খেয়ে ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে আফঈদারা।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে চাপ বাড়াতে থাকে চীন। গোল খেয়েও হাল ছাড়েনি বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণ ঠিক রেখে একের পর এক আক্রমণ শানায় মেয়েরা। ৮৬ মিনিটে হালিমা ইনজুরিতে পড়লে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন সুইডেন প্রবাসী আনিকা। এই ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হয় তার। ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পাল্টা আক্রমণে গোল শোধের চেষ্টা ছিল চোখে পড়ার মতো। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এমন লড়াই প্রমাণ করে এশিয়ার মঞ্চে নিজেদের জায়গা করে নিতে প্রস্তুত বাংলাদেশের মেয়েরা। লড়াইটা ছিল সমানে সমান, ফলাফল চীনের পক্ষে তবে হৃদয় জিতেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।





