বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জেনেভার বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওএইচসিএইচআরের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক নোট ভারবাল পাঠিয়েছে। ওই নোটে হত্যাকাণ্ডের তদন্তে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদানের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
জেনেভার বাংলাদেশ মিশন থেকে পাঠানো বার্তায় জানানো হয়, ওএইচসিএইচআর থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া মাত্রই তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে।
আরও পড়ুন:
এদিকে শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুসরণ করে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে— এমন অঙ্গিকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ সরকার।
এর আগে, ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছিলেন, হাদি হত্যাকাণ্ড তদন্তে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের সহায়তা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।





