একনজরে পে-কমিশনের প্রস্তাবনা
বিষয় বর্তমান অবস্থা প্রস্তাবিত অবস্থা (সম্ভাব্য) বেতনের অনুপাত ১:১০ (প্রায়) ১:৮ (চূড়ান্ত) সর্বনিম্ন বেতন "৮,২৫০ টাকা" প্রস্তাবিত ৩টি ধাপের একটি গ্রেড সংখ্যা ২০টি কমিয়ে ১২-১৫টি করার প্রস্তাব প্রধান সূচক সাধারণ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়
আরও পড়ুন:
বেতনের অনুপাত ১:৮ চূড়ান্ত (Pay Ratio 1:8 Finalized)
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ জানুয়ারির সভায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত (Pay Ratio) ১:৮ চূড়ান্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ, সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতন সর্বনিম্ন গ্রেডের তুলনায় ৮ গুণ হবে। এর আগে ১:১০ এবং ১:১২ অনুপাতের প্রস্তাব থাকলেও অধিকতর সামঞ্জস্য বজায় রাখতে ১:৮ অনুপাতকেই বেছে নিয়েছে কমিশন।
আলোচনার মূল বিষয়বস্তু (Key Discussion Points)
আজকের সভায় মূলত তিনটি প্রস্তাবিত সর্বনিম্ন বেতন (Minimum Salary) থেকে একটি চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে। এছাড়া আরও যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে:
গ্রেড সংখ্যা (Number of Grades): বর্তমান ২০টি গ্রেড কমিয়ে আনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।
ভাতা ও সুবিধা (Allowances and Benefits): বাড়ি ভাড়া (House Rent), চিকিৎসা ভাতা (Medical Allowance) ও উৎসব ভাতা (Festival Bonus) বৃদ্ধির প্রস্তাব।
অবসরকালীন সুবিধা (Retirement Benefits): পেনশন ও গ্র্যাচুইটির নতুন কাঠামো।
আরও পড়ুুন:
মূল্যস্ফীতিকে বিশেষ গুরুত্ব (Focus on Inflation)
বাজারে নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্য এবং মূল্যস্ফীতি (Inflation Rate) বিবেচনা করে এবারের পে-স্কেল সাজানো হচ্ছে। পরিবারের সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা ব্যয় এবং আবাসন খরচকে প্রধান সূচক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে একটি আধুনিক ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করছে কমিশন, যা ভবিষ্যতে সরকারের জন্য বেতন নির্ধারণের মূল রেফারেন্স (Reference Frame) হিসেবে কাজ করবে।
সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত এই জাতীয় বেতন কমিশন (National Pay Commission) তাদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেশ করতে চায়। নির্বাচনের আগে এই ঘোষণা সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি বয়ে আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:

